ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ই জুন ২০২৪, ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩১

উরুগুয়ের উপকূলে প্রায় ২০০০ মৃত পেঙ্গুইন!


প্রকাশিত:
২৩ জুলাই ২০২৩ ০১:২৬

আপডেট:
১৮ জুন ২০২৪ ০৪:১৮


গত ১০ দিনে পূর্ব উরুগুয়ের উপকূলে প্রায় ২০০০ পেঙ্গুইন মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মৃত পেঙ্গুইনগুলো ম্যাগেলানিক পেঙ্গুইন এবং বেশির ভাগই শিশু। এরা আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে মারা যায় এবং স্রোতের সঙ্গে মৃতদেহগুলো উরুগুয়ের উপকূলে চলে আসে। দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের প্রাণী বিভাগের প্রধান কারমেন লেইজাগোয়েন এই তথ্য দিয়েছেন।

কারমেন লেইজাগোয়েন আরো বলেন, ‘পেঙ্গুইনগুলোর মৃত্যু পানিতেই হয়েছে । এদের নব্বই শতাংশেরই শরীরে চর্বি ছিল না এবং পাকস্থলীতেও খাবার ছিল না।’ তিনি আরো জানান, মৃত পেঙ্গুইনগুলো থেকে সব নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। মৃত প্রাণীগুলোর মধ্যে ‘এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা’ রোগের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি।

প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জায় পেঙ্গুইনগুলোর মৃত্যু হয়েছে। ফলে এই ঘটনা রহস্যের সৃষ্টি করেছে। ম্যাগেলানিক পেঙ্গুইন দক্ষিণ আর্জেন্টিনায় বাসা বাঁধে। দক্ষিণ গোলার্ধের শীতকালে, তারা খাদ্য এবং উষ্ণ পানির সন্ধানে উত্তরে চলে যায়।

এমনকি ব্রাজিলের এস্পিরিটো সান্টো রাজ্যের উপকূলেও চলে যায়। লেইজাগোয়েন বলেছেন, অজানা কারণে গত বছরও ব্রাজিলে একই ধরনের মৃত্যু ঘটেছিল পেঙ্গুইনগুলোর। কিছু পেঙ্গুইনের মারা যাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু এত সংখ্যকের মৃত্যু অস্বাভাবিক।

উরুগুয়ের লেগুনা দে রোচা সংরক্ষিত এলাকার পরিচালক হেক্টর কায়মারিস সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, তিনি আটলান্টিক উপকূলের ছয় মাইলজুড়ে (১০ কিলোমিটার) ৫০০টিরও বেশি মৃত পেঙ্গুইন গণনা করেছেন। পরিবেশবাদীরা ম্যাগেলানিক পেঙ্গুইনের মৃত্যু বৃদ্ধির কারণ হিসেবে অতিরিক্ত মাছ ধরা এবং অবৈধভাবে মাছ ধরাকে দায়ী করেছেন।

এনজিও এসওএস মেরিন ওয়াইল্ডলাইফ রেসকিউ রিচার্ড তেসোর সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, সম্পদের অতিরিক্ত শোষণ করা হয়েছে। ১৯৯০ ও ২০০০ দশক থেকে প্রাণীদের জন্য খাদ্যের অভাব দেখতে শুরু করেছি আমরা। তেসোর আরো জানান, সম্প্রতি তিনি রাজধানী মন্টেভিডিওর পূর্বে অবস্থিত মালডোনাডোর সৈকতে পেঙ্গুইন ছাড়াও মৃত পেট্রেল, অ্যালবাট্রস, সি গাল, সামুদ্রিক কচ্ছপ মৃত অবস্থায় পেয়েছেন।

 


বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top