ঢাকা শুক্রবার, ২রা ডিসেম্বর ২০২২, ১৯শে অগ্রহায়ণ ১৪২৯

দেশের প্রথম ৬ লেনে নির্মিত সেতুর উদ্বোধন ১০ অক্টোবর


প্রকাশিত:
৮ অক্টোবর ২০২২ ২৩:৫৯

আপডেট:
৯ অক্টোবর ২০২২ ০০:০৩

 

c (১০ অক্টোবর)। গোপালগঞ্জ ও নড়াইল জেলার সীমান্তের কালনা পয়েন্টে নির্মিত সেতুটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বরাতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) শুক্রবার (৭ অক্টোবর) এ খবর জানিয়েছে। একই সঙ্গে ওইদিন নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নির্মিত নাসিম ওসমান সেতুও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

মধুমতি সেতুর পূর্ব পাড়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শংকরপাশা গ্রাম। পশ্চিম পাড়ে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা কলনা গ্রাম। গত ২৫ জুন পদ্মা সেতুর চালু হওয়ার পর দ্রুত এ সেতুর উদ্বোধনের আশা করছিলেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের। ১০ অক্টোবর থেকে এটি দিয়ে যান চলাচল শুরু হলে ঢাকার সঙ্গে ১০ জেলার সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ হবে।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে মূল সেতু ও সংযোগ সড়কের সব কাজ শেষ। অর্ধেক অংশে ল্যাম্পপোস্ট বসানোও সম্পন্ন হয়েছে। টোল প্লাজার আটটি বুথে যন্ত্রপাতি বসানোর প্রস্তুতি চলছে। সেতু এলাকায় চলছে নদী শাসনের কাজ।

কালনা সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সওজ নড়াইলের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, সেতুতে ল্যাম্পপোস্ট দুই-তিনদিনের মধ্যেই বসানো শেষ হবে। টোল প্লাজার সব কাজ উদ্বোধনের আগেই শেষ হবে। গাড়ি চলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তত সেতুটি। নদী শাসনের কাজ পর্যায়ক্রমে করা হবে।

জানা গেছে, স্থানীয় জনসাধারণের দাবির মুখে ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মধুমতী সেতু প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, সেতুর মাঝখানে বসানো হয়েছে ১৫০ মিটার দীর্ঘ স্টিলের স্প্যান। নেলসন লোস আর্চ টাইপের (ধনুকের মতো বাঁকা) এ স্প্যানটি তৈরি হয়েছে ভিয়েতনামে। ওই স্প্যানের উভয় পাশের অন্য স্প্যানগুলো পিসি গার্ডারের (কংক্রিট)। ছয় লেনের এ সেতু হবে এশিয়ান হাইওয়ের অংশ। চারটি মূল লেনে দ্রুতগতির ও দুটি লেনে কম গতির যানবাহন চলাচল করবে।

সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১০ মিটার। উভয় পাশে সংযোগ সড়ক ৪ দশমিক ২৭৩ কিলোমিটার, যার প্রস্থ ৩০ দশমিক ৫০ মিটার। সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হবে ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে এ সেতু নির্মিত হয়েছে। জাপানের টেককেন করপোরেশন ও ওয়াইবিসি এবং বাংলাদেশের আবদুল মোনেম লিমিটেড যৌথভাবে এ সেতুর ঠিকাদার।


বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top