ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ই জুন ২০২৪, ৫ই আষাঢ় ১৪৩১


দিনাজপুরে সারের দাম বেশি নেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আমন চাষিরা


প্রকাশিত:
২৩ জুলাই ২০২২ ০২:৪৯

আপডেট:
১৮ জুন ২০২৪ ০৬:০৮

 

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে বিভিন্ন হাট-বাজারে ও মোড়ে খোলা বাজারে বিভিন্ন প্রকার সারের দাম বেশি নেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আমন চাষিরা। এ নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন সার কিনতে আসা কৃষকরা।

ভরা বর্ষায় তীব্র তাপপ্রবাহ চলতে থাকায় গভীর নলকূপের মাধ্যমে সেচ দিয়ে জমি চাষ করতে হচ্ছে। তার ওপর বাড়তি দামে সার কিনে আবাদ করতে বেশি খরচ পড়বে বলে কৃষকরা জানান।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্য্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলায় ১০ জন বিসিআইসি ও ১৭ জন বিএডিসির সার ডিলার রয়েছে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকেরা পুরাদমে আমন ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারগাঁও ইউনিয়নের বাইশপুর গ্রামের আমন চাষি শফিকুল ইসলাম বগদইড় হাটে সার কিনতে আসলে খুচরা ব্যবসায়ী সারের দাম বেশি চান। তিনি জানান, ৫ কেজি ইউরিয়া সার ৮০ টাকার পরিবর্তে ৯০ টাকা চান, ১৫ টাকা কেজি দরে পটাশ সারের দাম চান ২৭ টাকা কেজি, ২২ টাকা কেজি দরে টিএসপি সার ৩০ টাকা কেজি চান। অতিরিক্ত দাম দিয়ে সার কিনতে হয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, বিক্রেতারা সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বেশি দামে বিক্রি করছেন সার। ফলে আমন চাষে উৎপাদান খরচ বাড়বে বলে জানান তারা।

মুটুনী বাজারের খচরা সার ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘খুচরা সার বিক্রি করলে বস্তায় ওজনে কম হয়, তাই খুচরা ব্যবসায়ীরা একটু বেশি দামে সার বিক্রি করেন।’

কাহারোল উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আবু জাফর মো. সাদেক বলেন, ‘আমি বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন কৃষকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর পরই উপজেলার বিভিন্ন সারের দোকানে সরকার নির্ধারিত দামে সার বিক্রির আহবান জানিয়েছি। সারের নির্ধারিত মূল্য তালিকা টানানো বাধ্যতামূলক। সার বিক্রিতে কেউ অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


বিষয়:



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

Top